সিবিএন ডেস্ক

রামুর কচ্ছপিয়ায় ৫০ হাজার ইয়াবা নিয়ে গা ঢাকা দিয়েছে সোহেল-কামরুল। ইয়াবাগুলো উদ্ধারে অভিযান চালায় বিজিবি। যা টের পেয়েই গা ঢাকা দেয় তারা।

নাইক্ষ্যংছড়ি বিজিবি’র আভিযানিক দল গোপন সূত্রের ভিত্তিতে সমগ্র বাড়ি তল্লাশী চালিয়েও তাদের আটক করতে পারেননি। ফলে উদ্ধার হয়নি এই বিপুল সংখ্যক মাদকও। ৩ মে রবিবার সকাল ১০টার দিকে রামুর কচ্ছপিয়ার ৩নং ওয়ার্ড তিতারপাড়ার সোহেল সিকদার ও কামরুল সিকদারের বাড়িতে চলে এই অভিযান।

সূত্রের দাবী, ৩ মে রবিবার সকাল সাড়ে ৮টায় সিএনজি চালক আব্দুল মান্নানের মালিকানাধীন সিএনজিতে আসছে সোহেল-কামরুলের ৫০ হাজার পিস ইয়াবা। ইয়াবাসহ এই গাড়ি হাইস্কুল পাড়া থেকে গর্জনিয়া বাজারের দিকে যাচ্ছিলো। এসময় গাড়িটি কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে ডাক বাংলো মোড় পর্যন্ত পৌঁছালে জড়িতরা ইয়াবাগুলো নামিয়ে নিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে। পরে নাইক্ষ্যংছড়ি বিজিবি জড়িতদের বাড়িতে ঘন্টাব্যাপী অভিযান চালায়। কিন্তু বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে আগেই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় সোহেল-কামরুলসহ সিন্ডিকেটের অন্য সদস্যরা। এদিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন- আভিযানিক দলে থাকা বিজিবি সদস্যরা।

জানা যায়, বিজিবি, পুলিশসহ যৌথ বাহিনী অভিযান চালায়। অভিযানিক দল গিয়ে তাদের পাইনি। তবে ইয়াবা সংক্রান্ত যে তথ্য পাওয়া গেছে তা সঠিক বলে জানা গেছে।

সোহেল সিকদার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের তিতারপাড়ার ইসলাম মিয়া সিকদারের পুত্র। তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক চোরাচালান ও মাদকের মামলা। অপর পলাতক কামরুল ইসলাম সিকদারও একই এলাকার মৃত সালাহ উদ্দিনের পুত্র। তারা সম্পর্কে চাচা ও ভাতিজা।